স্বাধীনতা ৭৩
রূপায়ণ বড় দুর্বল।
আজন্ম তার সম্বল
অসুখ-বিসুখ,
ক্লিষ্ট শরীর-মুখ।
তার সুস্থ থাকার দায়
কারো ওপরে কি বর্তায়?
রূপায়ণ রোজগেরে।
কিন্তু কপালফেরে
জুটেছে পকেটমার!
বাঁধা বন্দোবস্ত তার।
লাগরে ভেলকি লাগ –
ভ্যানিশ সিংহভাগ!
তাই রূপায়ণ ভোগে
চির অপুষ্টি রোগে।
বল যত প্রয়োজন,
তার তুলনায় বড়ো ক্ষীণ আয়োজন।
মাঠে-ময়দানে নেতা-জনগণ,
সেমিনার আর কত কমিশন,
বিজ্ঞ-প্রাজ্ঞ বহুজন মিলে দিল তাকে টার্গেট।
কিন্তু সে খায়নি তো ভরপেট!
সস্তার তিন অবস্থা-
প্রতি বর্ষায় ভাঙা রাস্তা-
অথবা হঠাৎ ব্রিজ ধূলিসাৎ!
রূপায়ণও কুপোকাৎ!
টার্গেট থেকে লক্ষ যোজন দূরে
রূপায়ণ গেছে হেরে!
ইত্যবসরে গদি ওল্টায়
রং বদলায়, নীতি পাল্টায়-
একই গল্পের পুনরাবৃত্তি-
একটুও নেই যত্নআত্তি।
রূপায়ণ চুরমার-
বার বার আর কতবার?
বাজারে এসেছে টাটকা শিক্ষানীতি-
ওপড়াবে যত পুরোনো ব্যর্থ স্মৃতি।
রূপায়ণ! চোখ খোলো-
আরও একবার কাঁধেতে জোয়াল তোলো।
রূপায়ণ বড়ো শ্রান্ত।
অনৈতিকের ফাঁপা হাড়গোড়ে রূপায়ণ দিগভ্রান্ত!
বয়স তিয়াত্তর,
দু’পা কাঁপে থরথর-
রূপায়ণ! আরও একবার
ব্যর্থ হবার সময় এসেছে-
দেশপ্রেম যে আবার হেঁকেছে-
পারবে কি নিতে গুরুভার?
6th August, 2020
No comments:
Post a Comment